ল্যান্ডিং পেজ, ওয়েবসাইট, কাস্টম সফটওয়্যার আর রেজাল্ট-ফোকাসড ডিজিটাল মার্কেটিং — DM Solver আপনার আইডিয়াকে সেলে রূপ দেয়, ধাপে ধাপে, স্বচ্ছভাবে।




































চারটি মূল সার্ভিস — প্রতিটি সাজানো একটাই লক্ষ্যে: আপনার সেল আর ব্র্যান্ড বাড়ানো।
অ্যাড থেকে আসা ভিজিটরকে অর্ডারে রূপান্তর করার জন্য ডিজাইন করা পেজ — দ্রুত লোড হয়, মোবাইলে ঝকঝকে দেখায়।
বিজনেস, ই-কমার্স বা কর্পোরেট — নিরাপদ, দ্রুত আর SEO-বান্ধব ওয়েবসাইট, যা নিজে ম্যানেজ করতে পারবেন।
অর্ডার, স্টক, হিসাব বা কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট — আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী কাস্টম সফটওয়্যার ও অটোমেশন।
Facebook, Instagram ও Google অ্যাডে সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করে কম খরচে বেশি সেল আনার কৌশল।
মান, গতি আর ফলাফল — এই তিন জায়গায় আমরা ছাড় দিই না।
অপ্টিমাইজড কোড ও হালকা ডিজাইন — পেজ খুলতে দেরি হয় না, ভিজিটরও চলে যায় না।
মোবাইল, ট্যাব আর ডেস্কটপ — যেখানেই খুলুন, ডিজাইন থাকবে গোছানো।
শুরু থেকেই গুগলের নিয়ম মেনে তৈরি, যাতে অর্গানিক ভিজিটর আসে।
WhatsApp-এ নক দিলেই সাড়া — সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান।
SSL, নিয়মিত আপডেট ও ব্যাকআপ — আপনার ডেটা থাকে সুরক্ষিত।
অনুমান নয় — প্রতিটি ক্যাম্পেইন আর পরিবর্তন হয় রিপোর্ট ও অ্যানালিটিক্স দেখে।
এজেন্সি বাছাইয়ের আগে যা জানা জরুরি — আমরা শুরুতেই সব খোলাখুলি বলে দিই।
কাজ শেষে কোড, ডেটাবেস আর সব লগইন অ্যাক্সেস আপনার নামে বুঝিয়ে দেওয়া হয় — কোনো লক-ইন নেই।
লঞ্চের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাগ ফিক্স ও সাপোর্ট ফ্রি — কাজ দিয়ে আমরা উধাও হই না।
পুরো টাকা অগ্রিম নয় — প্রতিটি ধাপ আপনি দেখে সন্তুষ্ট হলে তবেই পরের পেমেন্ট।
লিখিত চুক্তিতে স্পষ্ট গ্যারান্টি — চুক্তির কাজ দিতে না পারলে দায় আমাদের।
একজন নির্দিষ্ট মানুষ আপনার প্রজেক্ট দেখবেন — নিয়মিত আপডেট, এক জায়গায় সব কথা।
অ্যাড খরচ, রেজাল্ট আর কাজের অগ্রগতি — সব কিছুর পরিষ্কার রিপোর্ট পাবেন নিয়মিত।
সম্পন্ন প্রজেক্ট
বছরের অভিজ্ঞতা
সন্তুষ্ট ক্লায়েন্ট
ডেডিকেটেড সাপোর্ট
সহজ ৪টি ধাপে আইডিয়া থেকে লাইভ — কোথাও অস্পষ্টতা নেই।
আপনার লক্ষ্য, অডিয়েন্স আর বাজেট বুঝে কাজের পরিষ্কার রোডম্যাপ বানাই।
ব্র্যান্ডের সাথে মানানসই, ব্যবহারে সহজ ও আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করি।
দ্রুত ও নিরাপদ কোডে প্রজেক্ট বাস্তবায়ন — প্রতিটি ধাপে আপনার রিভিউ।
লাইভ করার পর মার্কেটিং, মনিটরিং আর নিয়মিত আপডেট দিয়ে পাশে থাকি।
যাতে পরে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয়।
কাজের পরিধি, সময়সীমা আর মূল্য শুরুতেই লিখিতভাবে ঠিক হয় — শুধু মুখের কথায় কিছু চলে না।
একেকটা মাইলস্টোন শেষ হয়ে আপনার অনুমোদনের পরেই পরের পেমেন্ট।
প্রতিটি ধাপে কতবার রিভিশন পাবেন তা আগেই ঠিক করা — সন্তুষ্ট না হলে কাজ এগোয় না।
পেমেন্ট, সময়, সাপোর্ট আর মালিকানা — সবচেয়ে বেশি আসা প্রশ্নগুলো।
কাজের ধাপ অনুযায়ী ভাগ করে পেমেন্ট — পুরো টাকা একবারে অগ্রিম দিতে হয় না। বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক ট্রান্সফার — যেটা সুবিধা। সব শর্ত চুক্তিতে লেখা থাকে।
সাধারণত ল্যান্ডিং পেজ ৩–৭ কর্মদিবস, বিজনেস ওয়েবসাইট ২–৪ সপ্তাহ আর কাস্টম সফটওয়্যার ৪–১২ সপ্তাহ। কাজ শুরুর আগেই নির্দিষ্ট টাইমলাইন লিখিতভাবে জানানো হয়।
অবশ্যই। লঞ্চের পর নির্দিষ্ট সময় ফ্রি বাগ ফিক্স ও সাপোর্ট থাকে। এরপর চাইলে মাসিক মেইনটেন্যান্স প্যাকেজ নিতে পারেন — সেটা পুরোপুরি আপনার ইচ্ছা।
পুরোটাই আপনি। প্রজেক্ট শেষে সোর্স কোড, ডেটাবেস আর সব অ্যাক্সেস আপনার নামে হস্তান্তর করা হয়।
অ্যাড বাজেট আর আমাদের সার্ভিস চার্জ আলাদা থাকে। বাজেট কোথায় কত খরচ হলো, কী রেজাল্ট এলো — নিয়মিত রিপোর্টে সব দেখতে পাবেন।
সেটআপ আমরা করে দিই, কিন্তু ডোমেইন ও হোস্টিং অ্যাকাউন্ট সবসময় আপনার নামে ও আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আজই WhatsApp-এ নক দিন — ফ্রি কনসাল্টেশনে আপনার প্ল্যান নিয়ে কথা বলি, তারপর সিদ্ধান্ত আপনার।
ল্যান্ডিং পেজ, ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার ও ডিজিটাল মার্কেটিং — বাংলাদেশের বিজনেসের জন্য অল-ইন-ওয়ান গ্রোথ পার্টনার।
© ২০২৬ DM Solver Agency — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।